ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বোয়ালখালী উপজেলায় মব শিকার থেকে ছাত্রলীগ নেতাকে মুক্ত করলেন এলাকাবাসী চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের আরও ২৯ জন গ্রেফতার খুলশীতে গুলিবিদ্ধ ছাত্রদল নেতা জিহাদের মৃত্যু ১৪ মে কালুরঘাটে সেতু নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন: ফারুক-ই-আজম চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের আরও ১৯ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার নিরাপদ, সন্ত্রাসবাদ মুক্ত, দখলবাজ মুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত সুন্দর একটা বোয়ালখালী করার ইচ্ছে প্রকাশ মোস্তাক আহমদ খানের সাতকানিয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ‘ ২৪ ঘন্টার মধ্যে কেন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, আমি জানি না’ আর্চারির চপল বাকলিয়া এক্সেস রোড গুলিতে ২ জনকে হত্যা: সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীসহ ৭জনের নামে মামলা চট্টগ্রামে একই স্থানে একদিনের ব্যবধানে সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১০
সন্ত্রাসীদের গুলিতে ২ জন নিহত

চট্টগ্রামে ডাবল মার্ডার! আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোর তৎপরতা, বাকলিয়া এলাকায় জনমনে আতংক!

তানবীর হায়দার
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫
  • / ৫৫ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"square_fit":1,"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

চট্টগ্রাম নগরে অবৈধ বালুর মহালের আধিপত্যের দ্বন্দ্বে দুইজনকে গুলি করে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের ‘সন্ত্রাসী’ গ্রুপ। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও দুজন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে নগরের নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা সড়কের চন্দনপুরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় নিহত দুজন হলেন– আবদুল্লাহ্ ও মানিক।
সরোয়ার, হৃদয় ও রবিন নামে আরও তিনজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত মানিকের স্বজনরা জানিয়েছেন, মানিক পেশায় একজন প্রাইভেটকার চালক। সরোয়ার নামে এক ব্যক্তির প্রাইভেট কার চালাতেন।

নিহত আবদুল্লাহর স্ত্রী পিয়ামণি বলেন, সাজ্জাদ গ্রুপের লোকজন আমার স্বামীকে খুন করেছে। আবদুল্লাহ কেন সারোয়ারের সাথে থাকে, তার সাথে কথা বলে, এজন্য সাজ্জাদের খুব রাগ। আবদুল্লাহকে পায়ে গুলিও করেছিল। আমাদের ধারণা, সরোয়ারকে মারতে হামলা করেছিল সাজ্জাদের লোকজন। আবদুল্লাহও তাদের টার্গেট ছিল।

তিনি আরো জানান, শনিবার সকাল ৯টার দিকে আবদুল্লাহ বাসা থেকে বের হন। সন্ধ্যায় বাসায় ইফতার করার কথা থাকলেও যাননি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার স্ত্রীকে ফোন করে নিউমার্কেট গিয়ে কেনাকাটার জন্য টাকা দিয়ে আসতে বলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে পিয়ামণি এক লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে নিউমার্কেট গিয়ে স্বামীর হাতে দেন।

তখন আবদুল্লাহ বলল— সারোয়ার ভাই ফোন করেছেন, আমি নতুন ব্রিজ যাচ্ছি। রাত ২টার দিকে আমি তাকে ভিডিও কল দিই। দেখি, সেখানে একটি বালুর টালের মাঝে সারোয়ার ভাই বসে কথা বলছেন। এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাই। সকালে রবিন আমাকে তার মারা যাবার খবর জানায়।

আহত রবিন প্রতিবেদককে বলেন, আমরা বের হই রাত ২টায়। এরপর আমাদেরকে দৌড়ানো শুরু করেন হামলাকারীরা। আমাদের আধঘণ্টা ধরে দৌড়ায়। নতুন ব্রিজ থেকে শুরু করে বাকলিয়া থানা পর্যন্ত অস্ত্র নিয়ে ৪ থেকে ৫টা মোটরসাইকেলে করে হামলা চালানো হয়। এক থেকে দুইশো রাউন্ড গুলি চালানো হয়। আমাদের দুজন মারা গেছেন। দুজন আহত হয়েছি। তাদের সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব নেই আমাদের। কিন্তু তারা কেন এ হামলা চালালো, বলতে পারি না।

এলাকাবাসী সাক্ষ্যমতে ডাবল মার্ডারের নেপথ্যে রয়েছে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ বালুমহাল দখল, সরকারি জমি দখল ও পূর্ব শত্রুতার জেরে আধিপত্য বিস্তারের পাশাপাশি রয়েছে ছোট সাজ্জাদকে ধরিয়ে দেয়ার প্রতিশোধ।

প্রত্যক্ষদর্শী অটোরিকশা চালক সুমন বড়ুয়া দৈনিক চাটগাঁইয়াকে বলেন,‘একটি মোটরসাইকেলে করে তিনজন এসে প্রাইভেটকারকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়েছে। গাড়ীর পিছু পিছু আরও চারটি মোটরসাইকেল যোগে ১০/ ১২ জন যুবককে দেখা যায। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মোটরসাইকেল আরোহীরা চলে যায়। ঘটনার আকস্মিকতায় তাদেরকে কুলিং কর্নারে আশ্রয় নিতে দেখি। এরপর সেখানে দুজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই।’

ঘটনাস্থলে এসে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহ করেছে। নিহতদের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) শাকিলা সুলতানা বলেন— আমরা তদন্ত চালাচ্ছি। ঘটনাস্থল থেকে নানা তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ মার্ডারের নেপথ্য কারণ কি। কারা জড়িত সে ব্যাপারে প্রযুক্তি সহায়তায় ঘটনা বিশ্লেষন চলছে। সরোয়ার-ছোট সাজ্জাদের বিরোধ নাকি তাদের আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যবসা সংক্রান্ত সব বিষয় সামনে রেখে তদন্ত চলছে।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উত্তর জোনের উপ-কমিশনার আমিরুল ইসলাম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে আসামীদের ধরার জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল মধ্যরাত থেকেই কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু এলাকায় বালু মহালের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের দুটি গ্রুপ অবস্থান করছিল। এক গ্রুপে ছিল চট্টগ্রামের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী সারোয়ার বাবলার নেতৃত্বে। তার সঙ্গে ছিলেন নিহত মানিক, আবদুল্লাহ, ইমন এবং রবিনসহ ৬ জন। অপর গ্রুপে খোরশেদ হাসানের নেতৃত্বে ছিলেন হাসান, রায়হানসহ আরও কয়েকজন।
খুনের রহস্যের খোজ নিয়ে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারই হত্যার মুল রহস্য। শীর্ষ সন্ত্রাসী সারোয়ার হোসেন বাবলা চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর ৮টি খুনের মামলার আসামি এবং ‘শিবিরক্যাডার’ হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদ আলী খানের একসময়ের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’। তিনি নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার খোন্দকার পাড়ার কালা মুন্সির বাড়ির আব্দুল কাদেরের ছেলে। চার বছর জেল খেটে পালিয়ে যান ভারতে, সেখানে ‘বড়ভাই’ সাজ্জাদের দেখভালে ছিলেন দুবছর। ২০২০-এ দেশে ফিরে গ্রেপ্তার হন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, পরে বের হয়ে আবারও জড়িয়ে পড়েন পুরোনো অপকর্মে। সর্বশেষ, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গ্রেপ্তার হন।

পুলিশের তথ্যমতে, সারোয়ার হোসেন বাবলার বিরুদ্ধে নগরের ডবলমুরিং, পাঁচলাইশ ও বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ১৮টি মামলা রয়েছে। সবগুলো মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সন্ত্রাসীদের গুলিতে ২ জন নিহত

চট্টগ্রামে ডাবল মার্ডার! আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোর তৎপরতা, বাকলিয়া এলাকায় জনমনে আতংক!

আপডেট সময় : ১০:৫৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫

চট্টগ্রাম নগরে অবৈধ বালুর মহালের আধিপত্যের দ্বন্দ্বে দুইজনকে গুলি করে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের ‘সন্ত্রাসী’ গ্রুপ। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও দুজন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে নগরের নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা সড়কের চন্দনপুরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় নিহত দুজন হলেন– আবদুল্লাহ্ ও মানিক।
সরোয়ার, হৃদয় ও রবিন নামে আরও তিনজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত মানিকের স্বজনরা জানিয়েছেন, মানিক পেশায় একজন প্রাইভেটকার চালক। সরোয়ার নামে এক ব্যক্তির প্রাইভেট কার চালাতেন।

নিহত আবদুল্লাহর স্ত্রী পিয়ামণি বলেন, সাজ্জাদ গ্রুপের লোকজন আমার স্বামীকে খুন করেছে। আবদুল্লাহ কেন সারোয়ারের সাথে থাকে, তার সাথে কথা বলে, এজন্য সাজ্জাদের খুব রাগ। আবদুল্লাহকে পায়ে গুলিও করেছিল। আমাদের ধারণা, সরোয়ারকে মারতে হামলা করেছিল সাজ্জাদের লোকজন। আবদুল্লাহও তাদের টার্গেট ছিল।

তিনি আরো জানান, শনিবার সকাল ৯টার দিকে আবদুল্লাহ বাসা থেকে বের হন। সন্ধ্যায় বাসায় ইফতার করার কথা থাকলেও যাননি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার স্ত্রীকে ফোন করে নিউমার্কেট গিয়ে কেনাকাটার জন্য টাকা দিয়ে আসতে বলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে পিয়ামণি এক লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে নিউমার্কেট গিয়ে স্বামীর হাতে দেন।

তখন আবদুল্লাহ বলল— সারোয়ার ভাই ফোন করেছেন, আমি নতুন ব্রিজ যাচ্ছি। রাত ২টার দিকে আমি তাকে ভিডিও কল দিই। দেখি, সেখানে একটি বালুর টালের মাঝে সারোয়ার ভাই বসে কথা বলছেন। এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাই। সকালে রবিন আমাকে তার মারা যাবার খবর জানায়।

আহত রবিন প্রতিবেদককে বলেন, আমরা বের হই রাত ২টায়। এরপর আমাদেরকে দৌড়ানো শুরু করেন হামলাকারীরা। আমাদের আধঘণ্টা ধরে দৌড়ায়। নতুন ব্রিজ থেকে শুরু করে বাকলিয়া থানা পর্যন্ত অস্ত্র নিয়ে ৪ থেকে ৫টা মোটরসাইকেলে করে হামলা চালানো হয়। এক থেকে দুইশো রাউন্ড গুলি চালানো হয়। আমাদের দুজন মারা গেছেন। দুজন আহত হয়েছি। তাদের সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব নেই আমাদের। কিন্তু তারা কেন এ হামলা চালালো, বলতে পারি না।

এলাকাবাসী সাক্ষ্যমতে ডাবল মার্ডারের নেপথ্যে রয়েছে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ বালুমহাল দখল, সরকারি জমি দখল ও পূর্ব শত্রুতার জেরে আধিপত্য বিস্তারের পাশাপাশি রয়েছে ছোট সাজ্জাদকে ধরিয়ে দেয়ার প্রতিশোধ।

প্রত্যক্ষদর্শী অটোরিকশা চালক সুমন বড়ুয়া দৈনিক চাটগাঁইয়াকে বলেন,‘একটি মোটরসাইকেলে করে তিনজন এসে প্রাইভেটকারকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়েছে। গাড়ীর পিছু পিছু আরও চারটি মোটরসাইকেল যোগে ১০/ ১২ জন যুবককে দেখা যায। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মোটরসাইকেল আরোহীরা চলে যায়। ঘটনার আকস্মিকতায় তাদেরকে কুলিং কর্নারে আশ্রয় নিতে দেখি। এরপর সেখানে দুজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই।’

ঘটনাস্থলে এসে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহ করেছে। নিহতদের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) শাকিলা সুলতানা বলেন— আমরা তদন্ত চালাচ্ছি। ঘটনাস্থল থেকে নানা তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ মার্ডারের নেপথ্য কারণ কি। কারা জড়িত সে ব্যাপারে প্রযুক্তি সহায়তায় ঘটনা বিশ্লেষন চলছে। সরোয়ার-ছোট সাজ্জাদের বিরোধ নাকি তাদের আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যবসা সংক্রান্ত সব বিষয় সামনে রেখে তদন্ত চলছে।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উত্তর জোনের উপ-কমিশনার আমিরুল ইসলাম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে আসামীদের ধরার জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল মধ্যরাত থেকেই কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু এলাকায় বালু মহালের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের দুটি গ্রুপ অবস্থান করছিল। এক গ্রুপে ছিল চট্টগ্রামের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী সারোয়ার বাবলার নেতৃত্বে। তার সঙ্গে ছিলেন নিহত মানিক, আবদুল্লাহ, ইমন এবং রবিনসহ ৬ জন। অপর গ্রুপে খোরশেদ হাসানের নেতৃত্বে ছিলেন হাসান, রায়হানসহ আরও কয়েকজন।
খুনের রহস্যের খোজ নিয়ে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারই হত্যার মুল রহস্য। শীর্ষ সন্ত্রাসী সারোয়ার হোসেন বাবলা চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর ৮টি খুনের মামলার আসামি এবং ‘শিবিরক্যাডার’ হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদ আলী খানের একসময়ের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’। তিনি নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার খোন্দকার পাড়ার কালা মুন্সির বাড়ির আব্দুল কাদেরের ছেলে। চার বছর জেল খেটে পালিয়ে যান ভারতে, সেখানে ‘বড়ভাই’ সাজ্জাদের দেখভালে ছিলেন দুবছর। ২০২০-এ দেশে ফিরে গ্রেপ্তার হন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, পরে বের হয়ে আবারও জড়িয়ে পড়েন পুরোনো অপকর্মে। সর্বশেষ, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গ্রেপ্তার হন।

পুলিশের তথ্যমতে, সারোয়ার হোসেন বাবলার বিরুদ্ধে নগরের ডবলমুরিং, পাঁচলাইশ ও বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ১৮টি মামলা রয়েছে। সবগুলো মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন।